নোয়াখালী প্রতিনিধি :
নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলা ০৬ নং রাজগন্জ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড ও ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত ঈদ পূনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এ্যাড,নুর উদ্দিন নুরুর সভাপতিত্বে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ডাঃ আবু নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্স যুক্ত ছিলেন প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় বিএনপি ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি বরকত উল্ল্যা বুলু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও রাজগন্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ জসিম উদ্দিন। রাজগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন রশীদ। সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ আলা উদ্দিন। ছাএদলের সহ-সভাপতি মোঃ আজিমুল ইসলাম আজিম। সাউদ আফ্রিকা কেপটাউনের বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদুল উল্যাহ ফারুক, যুবদল নেতা আবদুর রহমান, যুবদল নেতা সাহাব উদ্দিন। যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আবুল বাসার।
এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন রাজগন্জ ইউনিয়ন বিএনপি, ছাএদল,যুবদল,সেচ্ছাসেবক দল,কৃষকদল, শ্রমিকদল সহ অনান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি’র হাজারো নেতা-কর্মীর মুখোমুখি এক টেবিল বসে একে অপারের সাথে কুশল বিনিময় করেন। ঈদুল আযহার উৎসবের সপ্তম দিনে ভিন্নধর্মী এ আয়োজনের সাক্ষী হলেন প্রায় তিন হাজার মানুষ। বিকাল থেকেই নেতা-কর্মীদের ভিড়ে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে মদিনা বাজারে প্রাঙ্গণ। কারও কাঁধে রয়েছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, কেউ আবার সদ্য যুক্ত হওয়া দলীয় কর্মী। ঈদের খুশিকে ভাগাভাগি করতে জড়ো হন সবাই। দলীয় আবরণ ছাপিয়ে এই আয়োজন রূপ নেয় এক আন্তরিক মিলন মেলায়।
ভোজের আয়োজনে ছিল মুরগী দিয়ে তৈরি নানা পদের খাবার। তবে অংশগ্রহণকারীদের ভাষ্য, মেন্যুর চেয়েও বড় উপাদান ছিল আন্তরিকতা। পুরো আয়োজনটিতে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন
সাউদ আফ্রিকা কেপটাউনের বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদুল উল্যাহ ফারুক।
অতিথিদের স্বাগত জানানো থেকে শুরু করে খাবার পরিবেশনার মেহমানদারীর সব খানেই ছিল তাঁর সরাসরি নজরদারি।
অনুষ্ঠানে আসা ইউনিয়ন বিএনপি সহ- সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বলেন, আজকের দিনটি শুধু খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন ছিল না, ভালোবাসা পাওয়ারও ছিল। রাজনীতির অঙ্গনে এমন মানবিক সম্পর্ক এখন বিরল। অনেকেই এলেন বহুদিন পর। কেউ আবার সঙ্গে করে নিয়ে এলেন নতুন প্রজন্মের কর্মীদের। নানা বয়স ও অভিজ্ঞতার মানুষ একসঙ্গে বসে খেয়েছেন, গল্প করেছেন, ভাগাভাগি করেছেন পুরনো স্মৃতি আর ভবিষ্যতের স্বপ্ন। অনেকের কাছে এই ভোজ ছিল পারিবারিক পরিবেশে ফিরে যাওয়ার অভিজ্ঞতা। ঈদের সময় রাজনীতি সাধারণত ছায়ায় থাকে। কিন্তু এই ব্যতিক্রমী আয়োজন রাজনীতিরই আরেকটি দিক তুলে ধরেছে সহমর্মিতা, ত্যাগ আর ভালোবাসা।
কোরবানির মর্মবাণীকে ধারণ করে এই আয়োজন শুধু উদরপূর্তির জন্য ছিল না, ছিল হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো একটি মুহূর্ত। এ সময় সাউদ আফ্রিকা কেপটাউনের বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদুল উল্যাহ ফারুক বলেন, বেগমগঞ্জের মাটি ও গন-মানুষের নেতা বরকত উল্ল্যা বুলু আমার রাজনীতির অভিভাবক। আর রাজগঞ্জের নেতা-কর্মীরাই আমার রাজনীতির ভিত্তি। তারা আমাকে শ্রদ্ধা ভালোবাসা আর সম্মানসহ অনেক কিছু দিয়েছে। আমার রাজনৈতিক জীবনে তাদের জন্য কিছুই করতে পারিনি। তাই ঈদের এই আনন্দের দিনে তাঁদের সঙ্গে এক টেবিলে বসে খাওয়ার-দাওয়ার সুযোগ আমার জন্য পরম সৌভাগ্যের। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত যেন তাদের পাশে থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারি সেই দোয়া ও ভালোবাসা চাই সকলের কাছে।
সম্পাদক -জুয়েল রানা লিটন, অফিস : নোয়াখালী প্রেসক্লাব, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী।