রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।ঘটনার জন্য পরস্পর পরস্পরকে দোষ চাপাচ্ছে।
জানা যায়, গতকাল শনিবার কাশেম বাজারের একটি মসজিদে শিবিরের কোরআন তালিম কর্মসূচি চলছিল। সেখানে স্থানীয় যুবদলের কিছু নেতাকর্মী গিয়ে জামায়াত নেতা সেলিম বিগত সময় আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় ছিল উল্লেখ করে তাকে নিয়ে শিবিরের কার্যক্রম না করার অনুরোধ জানান। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।এর প্রতিবাদে রবিবার একই স্থানে প্রতিবাদ সভা ও পুনরায় কুরআন তালিমের আয়োজন করে স্থানীয় শিবির। এক পর্যায়ে আবারও কাশেম বাজার জামে মসজিদে গিয়ে বাধা দেয় যুবদলের নেতৃবৃন্দ। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এতে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিকজন আহত হয়। পরে পুলিশ-সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল ও বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
এদিকে শিবিরের শহর শাখার প্রচার সম্পাদক কেএম ফজলে রাব্বি জানান, শিবিরের উদ্যোগে শনিবার কাশেম বাজার মসজিদে কোরআন তালিম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে স্থানীয় যুবদল নেতা ফারুকের নেতৃত্বে হামলা করা হয়। এক পর্যায়ে শনিবার কুরআন তালিম করা যায়নি। পরে আজ রবিবার পুনরায় সেখানে কোরআন তালিমের আয়োজন করা হয়। আজও ফারুকের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। এতে হাসান, দেলওয়ার হোসেন মিশু, আবিদ, সালা উদ্দিনসহ ৩০জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়।
সম্পাদক -জুয়েল রানা লিটন, অফিস : নোয়াখালী প্রেসক্লাব, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী।