নয়া সকাল প্রতিবেদক :
বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে রক্তের বদলা নেয়ার হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন,শিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও নোয়াখালী শহর সভাপতি হাবিবুর রহমান আরমান। এছাড়াও তিনি আরোও বলেন, শিবিরের জনশক্তিরা সেদিন আমার কাছে ১০ মিনিটের অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু আমি অনুমতি দেইনি। যদি অনুমতি দিতাম তাহলে কাশেমবাজার ছাত্রদল শূন্য হয়ে যেতো। কিন্তু আমরা ধৈর্যের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে বলেছি। আমরা বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনকে হুশিয়ারী করে বলে দিতে চাই, আমরা আমাদের নিয়মতান্ত্রিক কার্যক্রম করে যাবো। যদি কেউ বাধা দিতে আসে তবে আমরা তার মোক্ষম জবাব দিতে সক্ষম। আপনারা ছাত্র সংসদ নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিন,নচেৎ জাতীয় নির্বাচনে জনগণ আপনাদের ছুঁড়ে ফেলতে দ্বিধা করবে না।
এছাড়াও তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবিরের নিয়মিত কোরআন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে হামলা করে বিএনপি তাকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। এ ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর ভাষা নেই। প্রশাসনকে বলে দিতে চাই, অনতিবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। নাহয় শিবির রাজপথে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে।
রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নে কাশেমবাজার জামে মসজিদে ছাত্রশিবিরের দারসুল কোরআনে বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলার অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।
এ সময় সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন,ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় অফিস সম্পাদক শাহ মাহফুজুল হক।জামায়াতে ইসলামীর নোয়াখালী শহর আমীর মাওলানা ইউসুফ, জামায়াত ইসলামীর নোয়াখালী -৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট উপজেলা) আসনে এমপি পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় ব্যবসা শিক্ষা সম্পাদক হারুন রুবেল,নোয়াখালী জেলা দক্ষিণ সভাপতি সাইফুর রসুল ফুহাদ, জামায়াতে ইসলামী নোয়াখালী শহর শাখার সেক্রেটারি মোহাম্মদ মায়াজস।
সম্পাদক -জুয়েল রানা লিটন, অফিস : নোয়াখালী প্রেসক্লাব, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী।