ছায়েদ আহামেদ, হাতিয়া
হাতিয়া সুপার মার্কেটে বিএনপি নেতার চাঁদা দাবির মিথ্যা তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছে ব্যবসায়ী ও মালিক সমিতি।
মঙ্গলবার(০৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় হাতিয়া সুপার মার্কেটের তৃতীয় তলায় ব্যবসায়ী ও মালিক সমিতি এ অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে সুপার মার্কেটের মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমজাদ উদ্দিন সাফদার লিখিত বক্তব্যে বলেন, হাতিয়া সুপার মার্কেটে গত ২ সেপ্টেম্বর এক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হয়েছে। অপপ্রচারকারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকসমূহ- 'পরিবর্তনের হাতিয়া গড়তে চাই, আকরাম হোসেন, জনতার কণ্ঠস্বর'-নামীয় কয়েকটি আইডি।
ওইদিন হাতিয়া সুপার মার্কেটে পৌরসভা বিএনপির সভাপতি মোকররম বিল্যাহ শাহাদাতে নেতৃত্বে একটি সন্ত্রাসী দল চাঁদাদাবী, মার্কেটে ভাঙচুর এবং সুপার মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানকে হুমকি-ধামকী দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বলে যে তথ্য প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রচারণা।
তিনি বলেন, আমরা হাতিয়া সুপার মার্কেট মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যগণ এ অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। মার্কেটে এরকম কোন চাঁদা দাবী বা হুমকি-ধামকীর ঘটনা ঘটেনি। সেদিন মূলত: হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হাছিব মো: মঈন উদ্দিন ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হায়দার চৌধুরী সাজ্জাদ এর সাথে অনাকাঙ্খিত ভুল বুঝাবুঝির ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের সমর্থকদের ও মার্কেটের সাধারন সম্পাদক মিজান ও সদস্য জাফর এর সাথে আকস্মিক উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বরং মোকাররম বিল্যাহ শাহাদাত তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি শান্ত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আমজাদ সাফদার বলেন, অপপ্রচারকারী এরকম কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পর্কে আমরা কেউ অবগত নই। এক অসাধু তৃতীয় পক্ষ সবসময় আমাদের মার্কেটের সাথে রাজনৈতিক দলের সাথে ঝামেলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করে।ভবিষ্যতে কেউ উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোন অপপ্রচার করলে তার বিরুদ্ধে সুপার মার্কেট মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এতে সুপার মার্কেট মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারি মিজানুর রহমানও উপস্থিত থেকে উক্ত ঘটনার দুঃখ প্রকাশ করেন।
এসময় সুপার মার্কেট সমিতির উপদেষ্টা আমিরুল ইসলাম বাবুল,কোষাধ্যক্ষ আবু বকর ছিদ্দিক, ব্যবসায়ী হাজি কামরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক -জুয়েল রানা লিটন, অফিস : নোয়াখালী প্রেসক্লাব, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী।