শিরোনাম:
নোবিপ্রবিতে ডিনস অ্যাওয়ার্ড নিয়ে বিতর্ক, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ পুরোনো ভিডিও দিয়ে নোয়াখালীতে মিছিলের গুজব ছড়াচ্ছে আ.লীগ: পুলিশ সুপার ​৩০ বছর ভিক্ষা করে বাঁচিয়ে রাখা আসিয়ার সন্তানও চলে গেল ভিক্ষা করে ৩০ বছর বাঁচিয়ে রাখা আসিয়ার সন্তান চলে গেল নোবিপ্রবি উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সফরের পরও পরিবর্তন হয়নি নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের নোয়াখালীর নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় ঝুলছে ১০৭ পুলিশ কর্মকর্তার পদক! মাঠ পর্যায়ে বাড়ছে ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা হাতিয়ায় জেলেদেরকে ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বন স্ট্যাফের বিরুদ্ধে : সংসদে হিজাব নিয়ে কটাক্ষের প্রতিবাদে নোয়াখালীতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল

এক ঝড়ে উড়ে গেল ঘর, খোলা আকাশেই দিন-রাত

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : শনিবার, ২ মে, ২০২৬


নোয়াখালী প্রতিনিধি-
মেঘনা নদীর ভাঙনে ভিটেমাটি হারানোর পর বহু কষ্টে গড়ে তোলা শেষ আশ্রয়টুকুও কালবৈশাখীর ঝড়ে হারালেন সুবর্ণচরের কৃষক জসিম উদ্দিন। বর্তমানে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি।

জানা গেছে, নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জসিম উদ্দিন একসময় নদীভাঙনে সব হারিয়ে অন্যের জমিতে আশ্রয় নেন। পরে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কারণে সেখান থেকেও সরে যেতে বাধ্য হন। সবশেষে বেড়িবাঁধের পাশে খাস জমিতে টিন ও বাঁশ দিয়ে একটি ছোট ঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন।

গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে মুহূর্তেই গুঁড়িয়ে যায় তার সেই ঘর। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ঘরের স্থানে পড়ে আছে ভাঙা টিন, ছিন্ন বাঁশ ও ধ্বংসস্তূপ।
ঘটনার চার দিন পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সহায়তা পাননি জসিম। বর্তমানে পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে। নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।

জসিম উদ্দিনের স্ত্রী অজিবা খাতুন বলেন, আমাদের থাকার মতো আর কোনো জায়গা নেই। যেটুকু ছিল, সেটাও শেষ হয়ে গেছে। রাতে ঘুমাতে পারি না, বসে বসেই রাত কাটাতে হয়।

জসিম উদ্দিন বলেন, নদী আমাদের ভিটেমাটি নিয়েছে, বাঁধের সময় আশ্রয় হারিয়েছি। শেষমেশ এই ছোট ঘরটাই ভরসা ছিল। কালবৈশাখী সেটাও কেড়ে নিল। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় যাব বুঝতে পারছি না।

স্থানীয়রা জানান, উপকূলীয় এলাকায় এ ধরনের অনেক পরিবারই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছে। তবে ধারাবাহিক দুর্যোগে তাদের জীবন এখন চরম অনিশ্চয়তায়। ভুক্তভোগী পরিবারের জন্য দ্রুত একটি নিরাপদ স্থায়ী আশ্রয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।  

সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, “বিষয়টি শুনেছি। খোঁজ নিয়ে তাদের সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ