শিরোনাম:
হাতিয়ায় সুপার মার্কেটে বিএনপি নেতার চাঁদা দাবির তথ্য মিথ্যা বহুমুখী প্রতিভাবান মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন (রাহ.)কে বেঙ্গল ফাস্ট ঘোষণা করেছিলেন আইয়ুব খান: নতুন আয়কর বিধান নিয়ে চৌমুহনীতে আলোচনা রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে নোবিপ্রবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ নজরুল শতবর্ষ উপলক্ষে নোয়াখালীতে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন তারেক রহমানের নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়নে সব বাঁধা প্রতিহত করা হবে- জয়নুল আবেদীন ফারুক এমপি প্রচারবিমুখ সমাজসেবক আবু সালেহ মোঃ আবদুল্লা সবুজ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রচারে নোয়াখালীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লিফলেট বিতরণ চন্দ্রগঞ্জে রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরষ্কার নিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতি

বহুমুখী প্রতিভাবান মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন (রাহ.)কে বেঙ্গল ফাস্ট ঘোষণা করেছিলেন আইয়ুব খান:

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

ছায়েদ আহামেদ, হাতিয়া(নোয়াখালী)।

হাতিয়া দ্বীপের আলোকবর্তিকা, প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ ও প্রথিতযশা আলেমেদ্বীন মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন(রাহ.)কে বেঙ্গল ফাস্ট(বাঙলার প্রথম)ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান। কামিল(এম এ) প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করায় গোল্ড ম্যাডেল পুরস্কারেও ভূষিত করেছিলেন তাঁকে।

গতকাল দুপুরে হাতিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ‘মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন(রাহ.) ফাউন্ডেশনের এক স্মরণ সভায় দেশের প্রয়াত এই গুণী মানুষটির শিক্ষা ও কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন আলোচকেরা। তাঁর স্মরণে স্থানীয় কবি ও শিক্ষার্থীর কবিতা আবৃত্তি এবং নাতে রসূল গেয়েছেন। ক্ষণজন্মা এ মানুষটির জন্ম ১৯৩৯ সালে এবং ২০০৬ সালের ৭জুন তিনি মৃত্যু বরন করেন।

ধর্মীয় ও সামাজিক ক্ষেত্রে মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন(রাহ.) এর অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বক্তারা বলেন, মাওলানা মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন (রাহ.) ছিলেন বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ের এক অনন্য ও বহুমুখী প্রতিভাবান ইসলামি পণ্ডিত এবং প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ। অবিভক্ত পাকিস্তান আমলে ধর্মীয়, সামাজিক ও শিক্ষাগত পুনর্জাগরণে তিনি এক স্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন। ১৯৫৯ সালে ঢাকা আলেয়া মাদ্রাসা থেকে কামিল(এম এ) প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করায় তৎকালীন ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খাঁন গোল্ড ম্যাডেল পুরস্কার প্রদান করেন। এবং বেঙ্গল প্রথম ঘোষণা করেন।সে থেকে মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন(রাহ.) বেঙ্গল হুজুর নামেও পরিচিত।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মুহাদ্দিছ আবুল কাশেম বলেন, মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন(রাহ.) ছাত্রদের খুব সুন্দর ও ধীরস্থিরভাবে পড়াতেন। সব ছাত্রকে নিজের সন্তানের মত মনে করতেন। তাঁকে সকলে শ্রদ্ধা করতেন। রাগ আসলে তিনি নিচের দিকে তাকিয়ে থাকতেন। তাঁর বয়ানে সকলে নিরব ও মুগ্ধ হয়ে থাকতেন। তাঁকে সবাই বেঙ্গল হুজুর ও মুহাদ্দিছ হুজুর নামে জানতেন। তিনি ছিলেন আলেমে হক্কানি।

অনুষ্ঠানে হাতিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা বাহাউদ্দিনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন ‘মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন(রাহ.) ফাউন্ডেশন’র চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম।
আলোচনা করেন- মুহাদ্দিছ হুজুরের সুযোগ্য উত্তরসূরী মাওলানা তাওফিকুল ইসলাম, মাওলানা এইউএম ইদ্রিস,মাস্টার বোরহানুল ইসলাম, হাতিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি এডভোকেট আ.ফ.ম আব্দুস ছালাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা খোন্দকার আবুল কালাম, মাওলানা কাজী আব্দুর রহিম ও কবি আমিনুল এহছান মিলাদ প্রমুখ।
এসময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শতাধিক মান্যগণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পরে মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন(রাহ.) আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ