শিরোনাম:
মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন একনেকে, উপকূলে উচ্ছ্বাস নোয়াখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক-১৬৩ নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৭১ নোয়াখালী পৌর বণিক সমিতির নবনির্বাচিত পরিষদের শপথ গ্রহণ নোয়াখালীতে  প্রবাসী সাবেক  স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার  বসতঘরে আগুন, পুড়ে ছাই ঘর সোনাইমুড়ীতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ, র‍্যালি ও আলোচনা সভা আ.লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ, সেনবাগ থানার ওসি প্রত্যাহার মাদক রুখতে ৭৫ প্রতিষ্ঠান-সংগঠনে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ   নোয়াখালীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫৫ শিক্ষার্থীকে ছাত্রদলের সংবর্ধনা এক বিদ্যালয়ের ৫০ শিক্ষার্থী অসুস্থ, কারণ খুঁজতে তদন্ত কমিটি গঠন

মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন একনেকে, উপকূলে উচ্ছ্বাস

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে ৭৫১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এ অনুমোদনের খবরে ছোট ফেনী নদীর উপকূলীয় এলাকার মানুষ উচ্ছ্বসিত।

এ প্রকল্প অনুমোদনের খবরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

জানা যায়, কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে এ প্রকল্প অনুমোদন নোয়াখালীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উপকূলীয় এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের নদী ভাঙন, বন্যা, জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশনসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানিয়ে নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য নুরুল আলম শিকদার বলেন, প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু ও যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে নদীভাঙন ও বন্যার ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য ও স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট প্রবল বর্ষণ ও উজানের ঢলে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুরে অবস্থিত ২৩ ভেন্টের রেগুলেটরটি ভেঙে যায়। এতে ছোট ফেনী নদী ও আশপাশের এলাকায় নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। পরে রেগুলেটরটি পুনর্নির্মাণ এবং নদী ব্যবস্থাপনা ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ