হাতিয়া (নোয়াখালী)।
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে দায়িত্বরত প্রধান শিক্ষক মো.ইউনুছের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার(৭ অক্টোবর) নিজ বিদ্যালয় শ্রেণী কক্ষে। ওই শিক্ষার্থী বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তার মাকে বলে। পরে তার মা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বলেন। এ ঘটনার খবর পেয়ে প্রতিবেদক ঘটনাস্থলে যায়।
এসময় শিশু শিক্ষার্থীর মা জানান, ক্লাসে অন্য শিক্ষার্থীদের থেকে পড়া নেওয়া অবস্থায় তার মেয়ের জামার ভিতর হাত দেয়,চিমটি দেয়। প্রায় সময় নানান সমস্যা করে।
তিনি আরো বলেন, ঘটনাটি কাউকে বললে মেয়েকে মারধর এবং ফেল করে দেওয়ার হুমকি দেয় প্রধান শিক্ষক মো.ইউনুছ।
স্কুলটির সহকারী শিক্ষক রাহেনা আকতার, লুৎফুন্নাহার এবং জয় হরি ভূষন বলেন, এই স্কুলে আসার পর থেকে তিনি এ অনৈতিক কাজ করে যাচ্ছেন। ছাত্রীদের অভিভাবকেরা তাদেরকে প্রায়ই অভিযোগ দেন। যার প্রেক্ষিতে অভিযুক্তকে বহুবার সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু তিনি শোধরাচ্ছেন না।
তারা আরো জানান, বর্তমানে চার্জে থাকা প্রধান শিক্ষক ছাত্রীদের গায়ে হাত দেওয়ার কারণে স্কুলের বদনাম হচ্ছে, ফলে শিক্ষার্থীও কমে গেছে।
স্থানীয় শেখ ফরিদ বলেন, তার এক ভাই এই স্কুলে শিক্ষকতা করতো। ইউনুছ স্যারের অনৈতিক কাজে বাধা দেওয়ায় তার ভাইকে বেদম মারধর করেন তিনি(অভিযুক্ত)।
অভিযোগের বিষয়ে মো.ইউনুছ বলেন, ঘটনাটি মিথ্যা। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এসব করা হচ্ছে।
বুধবার(১৫ অক্টোবর) বিকেলে ঘটনা সম্পর্কে সাব ক্লাস্টার এটিইও মাহবুবুর রহমানকে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
এবিষয়ে নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইসরাত নাসিমা হাবীব জানান, তিনি ঘটনা শুনেছেন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘটনা তদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।