শিরোনাম:
মাদক রুখতে ৭৫ প্রতিষ্ঠান-সংগঠনে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ   নোয়াখালীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫৫ শিক্ষার্থীকে ছাত্রদলের সংবর্ধনা এক বিদ্যালয়ের ৫০ শিক্ষার্থী অসুস্থ, কারণ খুঁজতে তদন্ত কমিটি গঠন নোয়াখালীতে ‘টাইমস অব বাংলাদেশ’-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হাতিয়ায় সুপার মার্কেটে বিএনপি নেতার চাঁদা দাবির তথ্য মিথ্যা বহুমুখী প্রতিভাবান মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন (রাহ.)কে বেঙ্গল ফাস্ট ঘোষণা করেছিলেন আইয়ুব খান: নতুন আয়কর বিধান নিয়ে চৌমুহনীতে আলোচনা রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে নোবিপ্রবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ নজরুল শতবর্ষ উপলক্ষে নোয়াখালীতে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন তারেক রহমানের নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়নে সব বাঁধা প্রতিহত করা হবে- জয়নুল আবেদীন ফারুক এমপি

নোয়াখালীতে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে’ ছাত্রলীগের আগুন, ভিডিও ভাইরাল

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

messenger sharing button

নোয়াখালী জেলা শহরের ব্যস্ততম জজ কোর্ট সড়কে শহীদ মিনারের পাশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে’ আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এই নাশকতা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৩ জুন) ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর জড়িতদের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,শনিবার ভোররাতে কোনো এক সময় ৩-৪ জনের একদল যুবক স্মৃতিস্তম্ভটিতে অগ্নিসংযোগ করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আগুন দেয়ার সময় এক যুবক বলছে— “স্বাধীন সার্বভৌম এই দেশ থেকে রাজাকারের চিহ্ন মুছে ফেলার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগই যথেষ্ট। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে।”

বাংলাদেশ সংবাদ
ভিডিওর শেষাংশে তাদের আরও বলতে শোনা যায়— “নোয়াখালী থেকে রাজাকার বিতাড়িত করার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রস্তুত। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে। শেখ হাসিনার স্মরণে, ভয় করি না মরণে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।”
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে সকালে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ এবং ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সূত্র ধরে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জানান, “ভোররাতে কোনো এক সময় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেয়ার ঘটনাটি ঘটেছে। খবর পাওয়ার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নাশকতার সাথে জড়িতদের সিসিটিভি ফুটেজ, ভিডিও এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যের ভিত্তিতে সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। জড়িত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।”
এই ঘটনায় স্থানীয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে ভিডিও দেখে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ