প্রতারনার বিষয়টি উল্লেখ করে গত ৮ জুলাই বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
বাদীর লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গণেশ হোটেল মালিক পরিমল চন্দ্র দাসের পূত্র বিষু হাসপাতাল রোডে অবস্থিত ভাত ঘর হোটেল মালিক রুবেলের নিকট গিয়ে তাদের হোটেল বিক্রি করে দেয়ার কথা জানায়।এই সময় ব্যবসায়ী মোখলেছ হোটেলটি দেখে ক্রয় করার আগ্রহ প্রকাশ করে।পরে পরিমল চন্দ্র দাসের সাথে গণেশ হোটেলের আসবাবপত্র ও গ্যাস সংযোগসহ মোট ৬৮ লক্ষ টাকায় বিক্রি করার মৌখিক চুক্তি হয় যা সাব কবলা মূলে বিক্রি করার প্রতিশ্রুতি দেয়। সে অনুযায়ী বাদী ১০ লক্ষ টাকা নগদ বাকি ৫৮ লক্ষ টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করে। সমুদয় টাকা পরিশোধের পর বাদী জানতে পারেন গ্যাস সংযোগটি পরিমল চন্দ্র দাসের নামে নয়। প্রকৃত পক্ষে এটা নিরঞ্জন কুমার দে নামের।পরে অধিকতর খোঁজ খবর করে জানতে পারেন উক্ত নিরঞ্জন দে ২০০২ সালে মারা যান । কিন্তু গ্যাস সংযোগে নথিপত্রে দেখা যায়, মৃত নিরঞ্জন দে ২০২৫ সালে ফেব্রুয়ারি মাসেও গ্যাসের বিল বহিতে সই স্বাক্ষর করছেন।
খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, প্রতারক পরিমল চন্দ্র দাস বিগত ২৩ বছর যাবৎ নিরঞ্জন দের নামে সই স্বাক্ষর দিয়ে গ্যাস অফিসের অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীর যোগসাজসে এই ভুয়া জালিয়াত সংযোগটি চালিয়ে আসছেন। এমন জালিয়াতি ও প্রতারনার শিকার হয়ে ব্যবসায়ী মোখলেছ এখন সর্বশান্ত হয়ে পথে পথে ঘুরছেন।প্রতারক পরিমলের বিরুদ্ধে বিচারের আশায় প্রশাসনের ধারে ধারে অভিযোগ পত্র নিয়ে যাচ্ছেন।