শিরোনাম:
নোবিপ্রবির তৃতীয় সমার্বতনের নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর দাবি শিক্ষার্থীদের নোবিপ্রবির বাংলা বিভাগের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী পিএইচডি সেমিনার অনুষ্ঠিত শারীরিক অসুস্থতায় হাসপাতালে সাংবাদিক লিয়াকত আলী খান, অস্ত্রোপচার সম্পন্ন নোবিপ্রবি ছাত্রশক্তির নবীনবরণে আসছেন নাহিদ ইসলাম নোবিপ্রবিতে ৮ম বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন স্কোপাস গবেষণা সূচকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১৭তম নোবিপ্রবি নোবিপ্রবির শিক্ষক-কর্মকর্তা কোয়ার্টার্সে বিশুদ্ধ পানিসহ নানা সংকট নোয়াখালীতে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান: দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার ১ প্রবাসীদের সমন্বিত ডাটাবেজ প্রয়োজন -জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। শিবপুর দরবার শরীফে আজমির শরীফের পিরের শুভাগমন

নোয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ে তালা

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নয়া সকাল প্রতিবেদক :
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় প্রাপ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান ধর্মঘট করেছে দ্বীপের বাসিন্দারা।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ থেকে দুপুর ১২ পর্যন্ত জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে সম্মিলিত সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে ওই কর্মসূচি পালন করা হয়। ঘন্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচিতে বন্ধ হয়ে যায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কার্যক্রম।
এসময় অংশগ্রহণকারীরা হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্স সংকট, শয্যা ও সরাঞ্জমের অভাবে রোগীদের চরম ভোগান্তি দূর করার দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দেন।
কর্মসূচিতে হাতিয়া স্টুডেন্ট ফোরাম, ছাত্রকল্যাণ পরিষদ, হাতিয়া সমিতি-নোয়াখালী, হাতিয়া ফোরাম-বৃহত্তর নোয়াখালীসহ বিভিন্ন সংগঠন একাত্বতা প্রকাশ করে।
এসময় বক্তব্যে শাহ মিজানুল হক মামুন বলেন, হাতিয়া একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। এই বিচ্ছিন্ন দ্বীপের সাত লাখের বেশি বাসিন্দা যুগ যুগ ধরে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। দেশের সবকিছুর পরিবর্তন হলেও হাতিয়া দ্বীপবাসীর ভাগ্যের কোন পরিবর্ত হয়নি। এখানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত চিকিৎসক-নার্স নেই। মালি, ঝাড়ুদাররা ইমারজেন্সি ওয়ার্ডে চিকিৎসা সেবা দেয়। কর্তৃপক্ষ এসব বিষয়ে কখনোই কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
এডভোকেট নোমান সিদ্দিক নামের দ্বীপের এক বাসিন্দা বলেন, আমাদের দ্বীপের মানুষের জীবনের কোন মূল্য নেই। সাত লাখ মানুষের এই দ্বীপে জরুরি অস্ত্রোপাচার কিংবা জটিল কোন রোগীর চিকিৎসা করার ব্যবস্থা নেই। অনেক সময় গর্ভবতী মায়েরা তাদের ডেলিভারির সময় নোয়াখালী যাওয়ার পথে মারা যেতে হয়। এখানে মাসের অধিকাংশ দিন কোন চিকিৎসক থাকেন না। চিকিৎসক যারা কর্মরত আছেন তারাও মাসের অধিকাংশ দিন হাসপাতালে থাকেননা। আমরা এর প্রতিকার চাই।
নোয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমি জানান,  হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও স্টাফ সংকটের বিষয়ে একাধিকবার চিঠি দিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আজকের কর্মসূচির বিষয়টিও জানানো হবে।
০


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ