নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিপুল পরিমাণ ভ্যাকসিন নষ্ট ও অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, টিকা প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের যোগসাজসে হাম, করোনা, টাইফয়েড ও জরায়ু ক্যান্সারের প্রায় ৪০–৫০ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন সরিয়ে ফেলে নষ্ট করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় , নবনিয়োগপ্রাপ্ত পোর্টার রিপনের সহযোগিতায় এবং কিছু বহিরাগত ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে এসব ভ্যাকসিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে একটি গর্তে ফেলে দেওয়া হয়। এতে শিশু ও অন্যান্য রোগীদের টিকা সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে এমপিটিআই মানিক মিয়া বলেন, ব্যবহৃত সিরিঞ্জের খালি খোসা ও মেয়াদোত্তীর্ণ সামগ্রী স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী গর্তে ফেলা হয়। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে তিনি ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, বরখাস্ত হওয়া সাবেক পোর্টার ওমর ফারুক মাহি নিজের চাকরি হারানোর পর থেকে তার বিরুদ্ধে এবং নবনিয়োগপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।
এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় এর কর্মকর্তা জানান, শিশুদেরকে বেআইনিভাবে টিকা দেওয়ার অভিযোগে একজন পোর্টারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য বিভাগের এমন অভিযোগ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।










