শিরোনাম:
নোবিপ্রবির তৃতীয় সমার্বতনের নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর দাবি শিক্ষার্থীদের নোবিপ্রবির বাংলা বিভাগের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী পিএইচডি সেমিনার অনুষ্ঠিত শারীরিক অসুস্থতায় হাসপাতালে সাংবাদিক লিয়াকত আলী খান, অস্ত্রোপচার সম্পন্ন নোবিপ্রবি ছাত্রশক্তির নবীনবরণে আসছেন নাহিদ ইসলাম নোবিপ্রবিতে ৮ম বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন স্কোপাস গবেষণা সূচকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১৭তম নোবিপ্রবি নোবিপ্রবির শিক্ষক-কর্মকর্তা কোয়ার্টার্সে বিশুদ্ধ পানিসহ নানা সংকট নোয়াখালীতে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান: দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার ১ প্রবাসীদের সমন্বিত ডাটাবেজ প্রয়োজন -জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। শিবপুর দরবার শরীফে আজমির শরীফের পিরের শুভাগমন

রাতারাতি পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : রবিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের খবরে অস্থির হয়ে উঠেছে লালমনিরহাটের বাজার। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলার গোশালা বাজারে পেয়াজ বিক্রেতা ও ক্রেতাদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, শুক্রবার রাত থেকেই পেয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সকালে ক্রেতারা বাজারে পেঁয়াজ কিনতে গেলে প্রতি কেজির দাম ২২০ টাকা চান তারা। এ সময় পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে ক্রেতার সঙ্গে মারামারি লেগে যায়।

খবর পেয়ে পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামেন ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের লালমনিরহাট জেলা উপসহকারী মাসুম উদ দৌলা। এ সময় চেম্বার অব কমার্স, বাজার কমিটি ও সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় গোশালা বাজারে যান। এ ছাড়া পেঁয়াজের আড়তগুলো তদারকি করেন তারা। এ সময় বেশ কয়েকটি আড়তদারকে আর্থিক জরিমানা করে ভোক্তা অধিদপ্তর।

গোশালা বাজারে এক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, ‘কি রে ভাই আমরা কোন দেশে বাস করি? গতকালকেই পেঁয়াজ বিক্রি হলো ১০০ টাকায়, আর রাত পেরোনোর পর পরই সেই পেয়াজ বিক্রি করছে ২০০ কুড়ি টাকায়। একজন দিনমজুরের আয় দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। সেই মজুর কীভাবে এত দাম দিয়ে পেয়াজ কিনবে?’

রবিউল নামে এক খুচরা ব্যবসায়ী জানান, ‘সকালে আড়ত থেকে এক ধারা (৫ কেজি) পেঁয়াজ কিনেছি ৯০০ টাকায়। সব খরচ মিলে আমার প্রায় হাজার টাকা পার হয়ে গেছে। তাহলে ২০০ টাকায় বিক্রি করব, নাকি লস করে বিক্রি করবো। আমাদের জিজ্ঞেস না করে আড়তদারদের কাছে যান, তাদের ধরেন।’

ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের লালমনিরহাট জেলা উপ-সহকারী মাসুম উদ দৌলা জানান, ‘পেঁয়াজের দাম বাড়া নিয়ে মারামারি বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমরা বাজার তদারকি করতে অভিযান চালাই। এ সময় অধিক দামে পেয়াজ বিক্রির দায়ে ৬-৭ ব্যবসায়ীকে আর্থিক জরিমানা করা হয়। আমাদের এ অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ