
:
ছায়েদ আহমেদ, হাতিয়া (নোয়াখালী)
জলবায়ুর প্রভাব আর মেঘনার ভাঙনে প্রতি বছর হাতিয়ার হাজারো মানুষ গৃহহীন ও ভূমিহীন হয়ে পড়ে। উদ্বাস্তু এসব মানুষের আশ্রয় মেলে নদীতীর, বেড়িবাঁধ কিংবা মেঘনার বুকে জেগে ওঠা চরে। মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন ও দুর্গম হওয়ায় হাতিয়ার নদী পয়স্তি এসব চরের নিয়ন্ত্রণ প্রায়ই প্রশাসনের বাইরে থাকে। ফলে শুরু থেকেই ভূমিদস্যু ও বনদস্যুর দখল-প্রবণতা দেখা যায়। এ বৈরী পরিস্থিতিতেই যুগের পর যুগ নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন নদীভাঙা মানুষ। হাতিয়া ও মনপুরার মাঝামাঝি মেঘনার বুকে জেগে ওঠা ‘ঢালচর’ও তেমন-ই এক অন্ধকার অধ্যায়, যেখানে দীর্ঘ প্রায় সত্তর বছর ধরে নেই প্রশাসনের সরাসরি নজরদারি। এখানে নিয়ম চলে মনপুরা ও পার্শ্ববর্তী ভূমিদস্যুদের ইচ্ছেমতো। অবশেষে চলতি মাসের শুরুতে সিডিএসপি-৫ প্রকল্প ঢালচরের উন্নয়ন ও বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা নিয়ে জরিপ শুরু করায় ভূমিহীনদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়।

প্রায় ৮৫ বছর আগে জেগে ওঠা ঢালচর হাতিয়া উপজেলা সদর থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে, সুখচর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে অবস্থিত। দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে পলি জমে ভোলার মনপুরা কাছাকাছি হওয়ায় সেখানকার একটি গোষ্ঠী চরটির দাবিদার হয়ে ওঠে। মনপুরা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন চৌধুরী ও তার ভাতিজা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব নাজিম উদ্দিন চৌধুরী নানা কৌশলে ঢালচরের বিশাল অংশ নিজেদের দখলে নিয়েছেন। তাদের দাদা-পিতারা ও একইভাবে দখলদারিত্ব চালিয়ে আসছিল। এর প্রতিবাদে হাতিয়ার ভূমিহীনদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন প্রয়াত আজহার উদ্দিন (আজরদ্দি) মিয়া।
ওইসময়(১৯৬৯) মনপুরার ভূমিখেকোদের হামলায় ঢালচরে আহত বৃদ্ধ ভূমিহীন সারু মিয়া এবং আনোয়ার মীরসহ একাধিক ভূমিহীন জানান, মনপুরার দখলদার’রা হামলা করে হাতিয়ার ঢালচরের ২২ জন ভূমিহীনকে হত্যা করেছে। এবং ওইসব হামলায় আহত হয়েছে ৪১জন। সেই দ্বন্দ্ব-সংঘাতের কালপরিক্রমা এখনো চলমান। বর্তমানে চর’টির দক্ষিণ অর্ধেকে নাজিম উদ্দিন চৌধুরী পরিবার আর উত্তর অর্ধেকে হাতিয়ার ভূমিহীনদের বসবাস। উত্তরাংশে নাজিম উদ্দিন গোষ্ঠীর হামলা ঠেকাতে স্থানীয়ভাবে রামগতি এলাকার ফখরুল গ্রুপ ভূমিকা রাখছে বলে জানা যায়। বিনিময়ে চরবাসী ফখরুল গ্রুপকে দিতে হয় কিছু মাইনে।
তবুও ভয়-আতঙ্কে তাদের দিন কাটে। অপরিচিতদের সাথে কথা বলতেও তারা ভয় পায়।
ঢালচর বিষয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও মকদ্দমা :
ঢালচর সংশ্লিষ্ট হাতিয়া সুখচর ইউনিয়ন তৎকালীন ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, ১৯৬০ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বোর্ড অব রেভিনিউর অতিরিক্ত সচিব এন আহমেদ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতরের পরিচালককে এক অফিস আদেশে লিখেছেন, ঢালচর নোয়াখালী জেলার সীমানায় নতুন জেগে ওঠা একটি চর এবং এটি নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মনপুরা বাকেরগঞ্জ (ব্রিটিশ ভারতের প্রাক্তন জেলা- বর্তমান ভোলা) জেলার একটি থানা। তিনি নোয়াখালী ও তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার মধ্যে সীমানা নির্ধারণের বিষয়ে এই অফিস আদেশ জারি করেন। একই বছরের ১১ মে বোর্ড অব রেভিনিউর সদস্য (বিশেষ) এস বি হ্যাচ বার্নওয়াল এক অফিস আদেশে ঢালচর সম্পর্কে বলেন, এটি নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত একটি নতুন চর। একই অফিস আদেশে নোয়াখালী জেলা কালেক্টরের পক্ষ থেকে ঢালচরে সেটেলমেন্ট কার্যক্রম শুরু হয়।
১৯৬০-৬১ সালে ঢালচর ৫১নং তৌজি(চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সময় কালেক্টরীতে সংরক্ষিত থাকা রেজিস্ট্রার) হিসাবে এক হাজার ১৫৩টি বন্দোবস্ত নথির প্রত্যেক বন্দোবস্তের অনুকূলে ২.৫০ একর জমি জমাবন্দি করা হয়। ৪৪৬ জন বন্দোবস্তকারীর কাছ হতে কবুলিয়াত গ্রহণ করা হয়।
তার এমন আদেশের বিরুদ্ধে তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার জমিদার রাজশ কান্ত রায় বরিশাল ২য় সাবজজ আদালতে ১৫৯/১৯৬০ মোকদ্দমা দায়ের করে। এতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দাবি করলে আদালত ১৯৬০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ঢালচরে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
১৯৮৭ সালের ২১ মে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. ইনামুল হকের সভাপতিত্বে আন্তঃজেলা সীমানা নির্ধারণ বিষয়ক এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, নোয়াখালী জেলার ১৯১৩-১৬ সালের সি,এস জরিপের রেখা ও ভোলা জেলার ১৯৪০-৪২ ও ১৯৪৫-৫২ সালের আর,এস জরিপের রেখার মধ্যবর্তী রেখাই নোয়াখালী-ভোলা জেলার সীমানারেখা হবে। একই সিদ্ধান্তের ওপর ১৯৯৬ সালের ১৬ মার্চ ভূমি মন্ত্রণালয়ের শাখা-২ একটি প্রজ্ঞাপন(৩/৯১-১২৭)জারি করে।
এর আগে ১৯৯৪ সালের ৭ আগস্ট ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শফি উদ্দিনের সভাপতিত্বে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সীমানা বিরোধ নিষ্পত্তিকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ভোলা জেলা প্রশাসক তাঁর জেলার আর,এস রেখা এবং নোয়াখালী জেলার সি,এস জরিপের রেখার মধ্যবর্তী রেখাকে ভোলা-নোয়াখালী আন্তঃজেলা সীমানা রেখা হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব করলে উপস্থিত সকল কর্মকর্তা উক্ত প্রস্তাব যুক্তিযুক্ত বলে একমত প্রকাশ করলে তা সিদ্ধান্ত আকারে গৃহীত হয়। এসকল সিদ্ধান্ত মোতাবেক সরকারের এলজিইডি, ইউএনডিপি/ল্যান্ড প্রজেক্টের আওতায় ৯৪ সালে প্রণীত থানা নকশায় সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়, ঢালচর সম্পূর্ণ নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত।
প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে অমান্য করে নোয়াখালী ও ভোলা জেলার চলমান সীমানা বিরোধ নিয়ে ২০১০ সালে নাজিম উদ্দিন চৌধুরী তার লোক দিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে রিট মামল(৪২০০/২০১০) দায়ের করেন বলে চরবাসী অভিযোগ করেন। রিটে আসামি(নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমানের কাছে) বা সরকার পক্ষের কাছে নোটিশের কোনো কাগজপত্র পৌঁছানো হয়নি বলেও অভিযোগ ছিল তখন । এতে ওই বছরের ৯ আগস্ট বাদীদের অনুকূলে একতরফা রায় হয় ঢালচর ওরপে চর ডাম্পিয়ার নামে।
বিষয়টি নিয়ে মিজানুর রহমান ২০১০ সালের ১৮ আগস্ট আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন কর্মকর্তা (সলিসিটর) বরাবরে ঢালচরের পক্ষে একটি আবেদন করেন। বলা হয়- আদালত থেকে সংশ্লিষ্ট রিট আবেদনের আদেশ বা আরজির কপি না পাওয়ায় বিবাদীদের জবাব দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে ওই বছরের ৯ আগস্ট বাদীদের অনুকূলে একতরফা রায় হয়। নোয়াখালী জেলা প্রশাসক ও সরকার পক্ষকে অ-জ্ঞাত ও প্রকৃত তথ্য গোপন রাখায় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা ঢালচরের বাসিন্দা এবং হাতিয়া উপজেলার স্বার্থ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। এছাড়া বড় ধরনের প্রশাসনিক জটিলতাও সৃষ্টি হয়।
২০১৬ সালে আদালতের এক নির্দেশে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতর নোয়াখালী-ভোলা আন্তঃজেলা সীমানা নির্ধারণের জন্য জরিপ কাজ শেষ করে এক স্মারকপত্র জারি করে। অধিদফতরের পরিচালক (জরিপ) আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত ওই স্মারকপত্র অনুযায়ী ঢালচর শতভাগ নোয়াখালীর সীমানায় রয়েছে।
হাতিয়া উপজেলা ভূমি অফিসের রেকর্ড বইয়ে দখা যায়, ১৯৯৯-২০০০ সালের ঢালচর ৫১নং তৌজি হিসাবে ৬ হাজার নথি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। যেখানে বর্তমানে হাতিয়ার নদীভাঙা ভূমিহীনরা বসবাস করছে।
২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল জরিপ কর্মসূচির নাম করে ঢালচরের মাঝামাঝি স্থানে জিওডেটিক পিলার স্থাপনের নামে নাজিম উদ্দিন গ্রুপ ঢালচরবাসীর সাথে সংঘর্ষবাঁধান। এঘটনায় নাজিম উদ্দিন চৌধুরী কানুনগো জাহাঙ্গীর আলমকে বাদী করে ৪৮জন ভূমিহীনের বিরুদ্ধে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেন বলে অভিযোগ করেন ভূমিহীন নেতা ইকবালসহ ভুক্তভোগীরা।
ভূমিহীনরা জানান, মনপুরার এ প্রভাবশালী পরিবার স্বাধীনতা পূর্ব ও উত্তর সময় থেকে একেকবার একেক শক্তি এবং গোষ্ঠীর সাথে সম্পর্ক গড়ে ঢালচরের দক্ষিণ পাশের প্রায় চার বর্গকিলোমিটারের মতো করায়ত্ত করে রেখেছে।
এদিকে, মনপুরা সহকারী জজ আদালতের দেঃ মোঃনং ১০/২০২৪ এ ঢালচরকে- চর ড্যামপেয়ার উল্লেখ করে এটিকে তাদের নতুন জেগে চর বলে দাবি করা হয়। এটি মনপুরার কলাতলী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড।
নাজিম উদ্দিন পরিবারের অনুগত স্থানীয় বেলাল মেম্বার জানান, তাদের এ অংশে ১২০ পরিবার(রায়তি) বসবাস করছে, আর ভোটার সংখ্যা ২০০শ’র মতো। সেখানে সবাই ভালভাবে বাস করছে বলে জানান তিনি।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে চরের দক্ষিণের এ অংশে দেখা যায়, এ স্বল্পসংখ্যক লোকের জন্য সেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাইস্কুল,দোকানপাট, সোলারপ্যানেল এবং মোবাইলফোন টাওয়ারসহ প্রভৃতি আধুনিক সব স্থাপিত হয়েছে। রয়েছে সেখানে নাজিম উদ্দিন ও তার দখল সহযোগী চাচা কামাল উদ্দিনের অট্রালিকা। বিশাল চরজুড়ে রয়েছে তাদের মৎস্য ঘের ও খামার। গরু-মহিষের খামারসহ রয়েছে নান্দনিক রেস্টহাউজও।
চর দখল সংক্রান্তে নজিম উদ্দিন চৌধুরীর সাথে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি মোবাইল ফোন রিসীভ করেননি।
অপরদিকে, ঢালচরে বর্তমানে এক হাজার ভূমিহীন পরিবার বসবাস করছে। এর মধ্যে শিশু, নারী-পুরুষ রয়েছে প্রায় তিন হাজার ৫০০জন। ভোটার সংখ্যা রয়েছে দুই হাজারের বেশি। এখানে নেই কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় কিংবা ইবতেদায়ী শিক্ষা কেন্দ্র। ফলে শত-শত শিশু বিনা শিক্ষায় বেড়ে উঠছে। স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র ও যোগাযোগের নেই ন্যূনতম সুবিধা।
মসজিদ মার্কেট সংলগ্ন একটি মাত্র সাইক্লোন সেন্টার রয়েছে। যেখানে ১৫-২০জন শিশু কে নিয়ে হিফজখানা একটা চালু আছে। আশপাশে মসজিদ এবং নূরানী মাদ্রাসাও ৪টা আছে।
পেশা : মাছ ধরা আর কৃষি হলো চরবাসির প্রধান পেশা। জীবন-মান তাদের নিম্ম পর্যায়ে।
বনায়ন : হাতিয়া উপজেলার নলচিরা বনবিভাগের তথ্য মতে, ঢালচর বিটে ৪৩৪ হেক্টর সংরক্ষিত বন ঘোষিত হয়। যা বনদস্যুদের কর্তনে এখন ছোট হয়ে আসছে।
ভূমি খেকোদের পরিচয় : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভূমিহীনের সাথে কথা বলে জানা গেছে,
মনপুরা ও ঢালচরের পার্শ্ববর্তী ভূমি খেকোদের পাশাপাশি স্বয়ং হাতিয়ারও রয়েছে একাধিক চাঁদাবাজ ও ভূমি খেকো। এদের মধ্যে একজন মরা গেছেন। জাহেদ, কেফায়েত উল্লা ও সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যান বর্তমানে পলাতক আছেন। পলাতকদের একজনে চরে চাঁদাবাজি করে হাতিয়ার মূল ভূখণ্ডে বিল্ডিং গড়েছেন। বর্তমানে আলাউদ্দিন মিয়া ও তানসেন মিয়া নামের দইজন আছেন। এরা সবাই এক ভূমিহীনের দাগ আরেকজন থেকে বিক্রি করতো। দাগ বিক্রি বা চাঁদার পরিমান ছিল ৬ হাজার থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
চরবাসীর দাবি :
ঢালচরের ভূমিহীনদের সাথে স্থানীয় দিদার মেম্বার জানান, এখানে জরুরি ভিত্তিতে দুইটা প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইবতেদায়ী শিক্ষা কেন্দ্র চালু করাসহ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র খুবই দরকার। বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থাও জরুরি। একই সাথে সিডিএসপি জরিপ কার্যক্রমে তাদের জীবন-মান, অবকাঠামোসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার নতুন পথ উন্মোচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।
ঢালচরে সিডিএসপি-৫ প্রকল্প জরিপ টিমের কো-অর্ডিনেটর কাইয়ুম জানান, এখানে কাজ করতে এসে নানান বাধার মুখে পড়তে হয়েছে, বিভিন্ন ভাবে ফোন দিয়েছে। বিভিন্ন গ্রুপের এজেন্টরা তাদেরকে নজরদারিতে রেখেছিল বলেও জানান তিনি।
এডিসি রেভিনিউ, নোয়াখালী- ঢালচরসহ আশপাশের চরগুলোতে সুষ্ঠু ভূমি ব্যবস্থাপনা ও বন্টনের জন্য একটা বাস্তবায়নকারী সংস্থা নিয়োগের মাধ্যমে দস্যুতা ও দখলদারত্বের অবসান করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
এসব বিষয়ে নোয়াখালী জেলা এডিসি রেভিনিউ নাজমা বিনতে আমিন জানান, সিডিএসপি টিমের সাথে কথা হয়েছে, আবারো তাদের সাথে বৈঠক হবে। তখন আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ২০১০ সালে রিট মামলায় ভোলা একতরফা রায় নেওয়ার বিষয়ে তথ্য উপাত্ত দেখে পদক্ষেপ নিবেন বললেও জানান তিনি।