শিরোনাম:
কোম্পানীগঞ্জে বসতঘরের টিন কেটে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণ, আটক-১ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজড নোয়াখালীতে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে’ ছাত্রলীগের আগুন, ভিডিও ভাইরাল বেদে পল্লীতে এসি, সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে মাদক ব্যবসায়ীর রাজকীয় জীবনযাপন প্রকাশ্যে নারীকে পেটালেন যুবদল নেতা, ভিডিও ভাইরা নোয়াখালীতে প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলা-হয়রানির অভিযোগ পানির ফিল্টার নিয়ে তর্কে কলেজ শিক্ষকদের মারামারির ভিডিও ভাইরাল বেগমগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভ্যাকসিন নষ্টের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস নোয়াখালীর পুলিশ সুপার হলেন নাসিরুদ্দিন সাংবাদিক গোলাম কিবরিয়া রাহাতের পিতা আবুল হোসেনের ইন্তেকাল

বেদে পল্লীতে এসি, সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে মাদক ব্যবসায়ীর রাজকীয় জীবনযাপন

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

 

নোয়াখালী

বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে বেদে পল্লীর আর দশটা সাধারণ ঝুপড়ি ঘরের মতোই একটি ঘর। কিন্তু ভেতরে ঢুকলেই চোখ কপালে ওঠার দশা। নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের ভীমপুর গ্রামে সরকারি খাস জায়গায় গড়ে তোলা সেই কুঁড়েঘরেই চলছে রাজকীয় জীবনযাপন। বসানো হয়েছে বিলাসবহুল এয়ারকন্ডিশন (এসি)। শুধু তাই নয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ক্রেতাদের গতিবিধি নজরদারি করতে পুরো আস্তানাকে ঘিরে স্থাপন করা হয়েছে অত্যাধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরাও।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই রাজকীয় মাদক আস্তানার মূল হোতা ববিতা আক্তার সুমাইয়া (৩৫) নামের এক নারী। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় প্রশাসনের নাকের ডগায় বসেই তিনি গড়ে তুলেছেন এক শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট। একসময় আওয়ামী লীগের নেতাদের সহায়তা তিনি ব্যবসা শুরু করলেও এখন বিএনপির নেতাদের ছত্র ছায়ায় তিনি তার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। চাটখিল থানা পুলিশ ইতিপূর্বে ববিতাকে কয়েক দফায় ইয়াবাসহ আটক করে আদালতে পাঠালেও জামিনে বেরিয়ে এসে তিনি আবারও একই ব্যবসা শুরু করেন।

প্রযুক্তির এমন অভিনব অপব্যবহার করে বেদে পল্লী থেকে অবাধে মাদক বিক্রির ফলে চাটখিলের ছাত্র ও যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এই মাদক সিন্ডিকেটের নেপথ্যে থাকা গডফাদারদের আইনের আওতায় আনতে এবং এই অবৈধ আস্তানা উচ্ছেদের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

চাটখিল পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক বি কে হানিফ বলেন, ‘একজন মাদক কারবারি কাছে পুলিশ, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা, স্থানীয় মানুষ, সবাই অসহায়। পুলিশ বা বহিরাগত কারো উপস্থিত টের পেলে তারা দলবেঁধে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বের হয়ে আসে। ববিতার এত পাওয়ারের উৎস খুঁজে বের করা দরকার। তাকে যারা পেছনে থেকে সহয়তা দিচ্ছে, তাদের মূলোৎপাটন করতে হবে।’

পুলিশ জানায়, এই নারী মাদক ব্যবসায়ীর নামে থানায় ৭টি মামলা রয়েছে এবং ৬ বার তিনি পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন। প্রতিবারই জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও ব্যবসা চালিয়ে গেছেন। আটক করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয়রা মাদক ব্যবসায়ী ববিতার হামলার শিকার হয়েছেন।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ বলেন, তার নামে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। তাকে অতি সাম্প্রতি আটকও করা হয়েছিল। তবে তার এরকম জীবন যাপন সম্পর্কে ধারণা ছিল না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ