শিরোনাম:
প্রবেশপত্রে ছবি জালিয়াতি করে কর অঞ্চলের নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, যোগদান করতে এসে আটক শিক্ষা ক্ষেত্রে আমরা কোন বৈষম্য চাই না : শিক্ষামন্ত্রী . নিরাপত্তা চাইলেন সম্পাদক জাবেদ আলম কিরণ নোবিপ্রবিতে ডিনস অ্যাওয়ার্ড নিয়ে বিতর্ক, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ পুরোনো ভিডিও দিয়ে নোয়াখালীতে মিছিলের গুজব ছড়াচ্ছে আ.লীগ: পুলিশ সুপার ​৩০ বছর ভিক্ষা করে বাঁচিয়ে রাখা আসিয়ার সন্তানও চলে গেল ভিক্ষা করে ৩০ বছর বাঁচিয়ে রাখা আসিয়ার সন্তান চলে গেল নোবিপ্রবি উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সফরের পরও পরিবর্তন হয়নি নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের নোয়াখালীর নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

প্রবেশপত্রে ছবি জালিয়াতি করে কর অঞ্চলের নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, যোগদান করতে এসে আটক

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

নোয়াখালী-

প্রবেশপত্রে ছবি জালিয়াতি করে কর অঞ্চল নোয়াখালীর নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দুই জনকে চাকুরীতে যোগদান করতে আসলে তাদের দেখে সন্দেহ হয় নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের। পরে তাদের কাগজপত্র যাচাই করে প্রক্সি পরীক্ষার প্রমাণ মেলায় তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

রবিবার (২১ জুন) রাতে নোয়াখালীর মাইজদী বাজার কর অঞ্চলের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলেন কর অঞ্চল-নোয়াখালী’র সদ্য নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে নিয়োগপত্র প্রাপ্ত কামাল উদ্দিন ও অফিস সহায়ক পদে নিয়োগপত্র প্রাপ্ত নাসফুর উল্যাহ হুমায়ুন। তারা দু’জনেই লিখিত এবং ভাইভা পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থীর মাধ্যমে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে যোগদান করতে এসেছিলেন।

আটককৃতরা সদর উপজেলার ব্রহ্মপুর ও হাতিয়ার গুল্যাখালীর বাসিন্দা।আটক নাসফুর উল্যাহ হুমায়ুনের মামা আয়কর বিভাগেই চাকুরীরত আছেন বলে জানা যায়।

সূত্র জানায়, গত ১১ জুন কর অঞ্চল নোয়াখালী এর অধীনে লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষা শেষে ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডে ১১২ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিতদের মেডিকেল রিপোর্ট ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সনদপত্র সহ রবিবার (২১ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে কর অঞ্চল নোয়াখালীতে যোগদানের নির্দেশনা দেয়া হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী রবিবার তারা যোগদান করতে আসলে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ও অফিস সহায়ক পদে পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করা প্রার্থীকে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। সন্দেহের একপর্যায়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাদের পরীক্ষা অন্য প্রার্থী প্রক্সি দিয়েছে তারা স্বীকার করে নেয়।

পরবর্তীতে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ ও সিআইডিকে খবরটি জানানো হলে তারা কর অফিসে গিয়ে আটক দুইজনকে জিজ্ঞাবাদ করে প্রক্সির বিষয়টি নিশ্চিত হয়। বর্তমানে আটক দু’জন সুধারাম মডেল থানা পুলিশ হেফাজতে আছেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, ঢাকার একটি জালিয়াতি চক্রের সাথে তাদের ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকার বিনিময়ে চুক্তি হয়। চক্রটি সরকারি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় অন্যের হয়ে প্রক্সি পরীক্ষা দিয়ে থাকে। চাকুরির আবেদন করার সময়ই তারা তাদের চুক্তি কৃত পরীক্ষার্থীর ছবি পরিবর্তন করে আবেদন করে যাতে পরীক্ষার সময় বুঝা না যায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ লিয়াকত আকবর দুই জনকে আটকের বিষয় নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি এই চক্রে জড়িত অন্যান্যদের আইনের আওতায় আনা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ