নোয়াখালী জেলার খাল গুলো পুনঃ দখল,বেদখল হওয়া সরকারী খাস জমি, বাদী ও খাল পুনরুদ্ধারের দাবিতে ‘জাস্টিস ডিমান্ড নোটিশ’ পাঠিয়েছেন সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. ওবাইদুল্যাহ আল মামুন সাকিব।
গত ২৪ জুলাই ওই দাবীতে অ্যাডভোকেট মামুন সাকিব অন্তবর্তীকালীন সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব,দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের সচিব, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক, নোয়াখালীর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলার নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট অপর ৭ জনকে নোটিশ দেয়া হয়।
নোটিশ দাতা অ্যাডভোকেট মো. ওবাইদুল্যাহ আল মামুন সাকিব জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা।
নোটিশে বলা হয়, নোটিশ গ্রহিতাগণ আইন ও বিধি অনুযায়ী পয়ঃনিষ্কাষণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, অবৈধভাবে দখলকৃত সরকারী জমি ও খার পুনরুদ্ধারসহ জনগনের স্বাভাবিক জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে আইন ও বিধি অনুসারে বাধ্য।
চলতি জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে টানা বৃষ্টিপাত, ভারী বর্ষনের ফলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভা, সিরাজপুর, চরপার্বতী, চরহাজারী, চরকাঁকড়া, চর ফকিরা, রামপুর, মুছাপুর, চরএলাহী ইউনিয়নসহ পাশর্^বর্তী কবিরহাট উপজেলার প্রায় সকল এলাকাপানিতে নিমজ্জিত হয়।জনগন চরম দুর্ভোগে আছে।এ অবস্থা থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেয়া জরুরী।
নোয়াখালী খালসহ উল্লেখিত দুটি উপজেলার সকল সংযোগ খাল খনন, সরকারী খাস জমির অবৈধ দখল পুনরুদ্ধার,খাল গুলোর ওপর নির্মিত অবৈধ পুল, কালভার্ট,স্থাপনা উচ্ছেদ, অবৈধ উপায়ে প্রাপ্ত খাস জমির দখল অনুমতি বাতিল করার দাবি জানানো হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ‘জাস্টিস ডিমান্ড নোটিশ’ দাতা সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি মো. ওবাইদুল্যাহ আল মামুন সাকিব বলেন, জনস্বার্থে সরকারের সংস্লিষ্ট তেরো সংস্থা ও ব্যক্তিকে এ নোটিশ রেজিস্টার্ড উইথ এ/ডি করে পাঠানো হয়েছে। এরপরেও প্রতিকার না হলে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করবো।