এ কে এম ফারুক হোসেন:
পরিবেশ অধিদপ্তর নোয়াখালী জেলার উদ্যেগে বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী হকার্স মার্কেটের ব্যাংক রোডে অবস্থিত অবৈধ নিষিদ্ধ পলিথিন কারখানায় পৃথক ২টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিপুল পরিমানে ১৪ টন পলিথিন শপিং ব্যাগ এবং ২০০কেজি কাঁচামাল জব্দ করা হয়।
রোববার (১৭ আগস্ট) পরিচালিত অভিযানে পলিথিন ব্যাগ তৈরির অপরাধে রিপন শপিং ব্যাগ কারখানার মালিক হোসেন আহমেদকে নগদ ৬ লক্ষ টাকা এবং বাবলু প্যাকেজিং কারখানার মালিক বাবলু পালিয়ে যাওয়ায় তাঁর প্রতিনিধি আমির হোসেনকে নগদ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে, আদায় করা হয়। এসময় উভয় কারখানা থেকে প্রায় (১৪টন) পলিথিন শপিং ব্যাগ এবং ২০০ কেজি পলিথিন তৈরির কাঁচামাল জব্দ করা হয়।
মোবাইল কোর্টটি পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো: ফাহিম হাসান খান।এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিহির লাল সরদার, সহকারী পরিচালক নুর হাসান সজীব, পরিদর্শক মিলন হোসেন।এসময় অভিযান দলকে নিরাপত্তায় র্যাব ১১ সক্রিয় সদস্যরা উপস্থিত থেকে সহায়তা করেন।
অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিহির লাল সরদার জানান,আমরা জানতে পারি, চৌমুহনীতে অবৈধ কারখানায় বিপুল পরিমানে পলিথিন শপিং ব্যাগ উৎপাদন করছে।কিন্তু নির্ভুল তথ্য না থাকায় আমরা সেই কারখানর সন্ধান পাচ্ছিলাম না।পরে এই বিষয়ে র্যাব-১১ সহায়তা নেই।
আজ সকালে র্যাব-১১ থেকে সেই কারখানার সন্ধান বের করে ঘেরাও করে আমাদের জানায়।বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে আমি ও আমার টীম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সহায়তা চেয়ে সকাল ৮টায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই।ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় কারখানায় উৎপাদিত নিষিদ্ধ পলিথিন ও কাঁচামাল নিজ আয়ত্তে গ্রহন করি। পরে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রট সহকারী কমিশনার এসে জব্দ ও জরিমানা আদায় করেন।কাঁচামাল নিয়ে অপর এক প্রশ্নে তিনি জানান, রাজধানী ঢাকা থেকে ট্রাকে করে খুব ভোরে কারখানা সামনে এসে আনলোড করা হচ্ছিল। আর বিষয়টি র্যাব জানতে পেরে কারখানাগুলো ঘেরাও করে রাখে।
উল্লেখ্য স্মরণকালের সেরা অভিযানে রেকর্ড সংখ্যক পরিমানে নিষিদ্ধ পলিথিন শপিং ব্যাগ উদ্ধার এবং জরিমানা আদায় করা হয়।