শিরোনাম:
নোবিপ্রবির তৃতীয় সমার্বতনের নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর দাবি শিক্ষার্থীদের নোবিপ্রবির বাংলা বিভাগের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী পিএইচডি সেমিনার অনুষ্ঠিত শারীরিক অসুস্থতায় হাসপাতালে সাংবাদিক লিয়াকত আলী খান, অস্ত্রোপচার সম্পন্ন নোবিপ্রবি ছাত্রশক্তির নবীনবরণে আসছেন নাহিদ ইসলাম নোবিপ্রবিতে ৮ম বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন স্কোপাস গবেষণা সূচকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১৭তম নোবিপ্রবি নোবিপ্রবির শিক্ষক-কর্মকর্তা কোয়ার্টার্সে বিশুদ্ধ পানিসহ নানা সংকট নোয়াখালীতে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান: দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার ১ প্রবাসীদের সমন্বিত ডাটাবেজ প্রয়োজন -জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। শিবপুর দরবার শরীফে আজমির শরীফের পিরের শুভাগমন

শেখ হাসিনার আইনজীবী হিসেবে না লড়ার সিদ্ধান্ত জেডআই খান পান্নার

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫

আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই ঘোষণা দেন।

এর আগে পান্না নিজেই শেখ হাসিনাকে ডিফেন্ড করার জন্য আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ চেয়ে আবেদন করেছিলেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল তাকে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেয়।

আইনজীবী পান্না তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন, আদালতে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তিনি তাকে ডিফেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি আরও বলেন, যেহেতু এই আদালতের প্রতি শেখ হাসিনার আস্থা নেই, সেহেতু আমি তাকে ডিফেন্ড করতে পারি না। এটা উচিত নয়।

ট্রাইব্যুনাল টিএফআই সেলে গুমের মামলায় ১৭ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানির জন্য আগামী ৩ ডিসেম্বর এবং জেআইসি সেলে গুমের মামলায় ১৩ আসামির বিরুদ্ধে শুনানির জন্য ৭ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন। এই মামলায় আরেক আইনজীবী এম হাসান ইমামকেও স্টেট ডিফেন্স হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে দুই মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন ১৩ সেনা কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন।

পান্না বলেন, তিনি নিয়োগের চিঠি পাননি। চিঠি পেলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। তবে আপাতত ভিডিও বার্তায় জানিয়ে দিলেন যে, তিনি শেখ হাসিনার পক্ষে দাঁড়াবেন না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ