শিরোনাম:
নোবিপ্রবির তৃতীয় সমার্বতনের নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর দাবি শিক্ষার্থীদের নোবিপ্রবির বাংলা বিভাগের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী পিএইচডি সেমিনার অনুষ্ঠিত শারীরিক অসুস্থতায় হাসপাতালে সাংবাদিক লিয়াকত আলী খান, অস্ত্রোপচার সম্পন্ন নোবিপ্রবি ছাত্রশক্তির নবীনবরণে আসছেন নাহিদ ইসলাম নোবিপ্রবিতে ৮ম বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন স্কোপাস গবেষণা সূচকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১৭তম নোবিপ্রবি নোবিপ্রবির শিক্ষক-কর্মকর্তা কোয়ার্টার্সে বিশুদ্ধ পানিসহ নানা সংকট নোয়াখালীতে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান: দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার ১ প্রবাসীদের সমন্বিত ডাটাবেজ প্রয়োজন -জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। শিবপুর দরবার শরীফে আজমির শরীফের পিরের শুভাগমন

সেলুন পাঠাগারওয়ালা কবি গোলাম মাওলা জসিমের শুভ জন্মদিন

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৩

নয়া সকাল প্রতিবেদক :
এমন মানুষ আজকের সমাজে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, যার মুখে লেগেই থাকে সব সময় এক চিলতে মিষ্টি হাসি। দেখা হলেই কথা বলার ঢঙ্গে মনে দোল খেতে শুরু করে ভালো লাগার সুবাতাস।জানিনা তার মনে কোন কষ্ট আছে কিনা ? তবে দীর্ঘদিনের পরিচয়ে এটুকুই স্পষ্ট বুঝতে পেরেছি তিনি মনে প্রাণে একজন সুখী মানুষ। বলছিলাম সেলুন পাঠাগারওয়ালা নামে খ্যাত জনপ্রিয় ও জননন্দিত কবি গোলাম মাওলা জসিমের কথা, বাংলাদেশের মধ্যে যদি ব্যতিক্রমধর্মী ধারাবাহিক সৃজনশীল উদ্যোগগুলোর তালিকা তৈরি করা হয় তন্মধ্যে এই মানুষটির নাম ও তার কাজের বিবরণী উল্লেখ না করলে তালিকা পরিপূর্ণতা পাবেনা।
আমি এই মানুষটির চিন্তাধারা ও মনন খুবই কাছের থেকে উপলব্ধি করতে পেরেছি।আপাদমস্তক সাংস্কৃতিক ধ্যান ধারণা যার মধ্যে বিরাজমান, ভাবে দেশ ও জাতির এবং বিশ্ববাসীর জন্য।তার জন্য তিনি সম্পূর্ণ নিজের।
ব্যক্তিগত অর্থে, অনেক কষ্ঠের পরিশ্রমের টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছেন “সেলুন পাঠাগার বিশ্বজুড়ে “। ইতোমধ্যে তিনি বাংলাদেশের অনেকগুলো নরসুন্দরদের দোকানে “সেলুন পাঠাগার বিশ্বজুড়ে “র সৌজন্য এ বুক সেলফ স্থাপন করছেন। যা অব্যাহত রয়েছে।সেই সৃজনশীল মানুষটির জন্মদিনে তাই দু চারটি লাইন সংক্ষেপে লিখে তার প্রতি জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে পারলে নিজের কাছে শান্তি অনুভব হয়।
যতই দিন যাচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ বই পড়ার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। বই মানে একজন খুবই ভালো বন্ধু এই ব্যাপারটা তাঁরা দিনদিন ভুলেই যাচ্ছে। সেলুনে চুল কাটতে এসে কাস্টমাররা ঘণ্টার পর ঘন্টা অপেক্ষায় থাকে। কেমন যেনো একটা বিরক্তি কাজ করে সবার মধ্যে। মনে হয় যদি কিছু একটা থাকতো তাহলে ওটা করে অপেক্ষার সময়টা কটিয়ে দেওয়া যেতো। আর তাই কাস্টমারদের এই চিন্তা দূর করতে এবং মানুষকে বই পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এই উদ্যোগ।
আমরা চাই সারা বাংলাদেশ আপনার এই মহামূল্যবান উদ্যেগের সম্পর্কে জানুক এবং বইয়ের প্রতি বন্ধুত্ব তৈরি করুক।প্রিয় কবি ও ভাইয়ের জন্মদিনের এই হউক প্রত্যাশা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ