শিরোনাম:
ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থীকে হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগ মেঘনা ভাঙনে হুমকিতে উপকূল, জরুরি কাজের আশ্বাস পানিসম্পদ মন্ত্রীর নোবিপ্রবির নয়া ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি লিয়াকত, সম্পাদক জাহাঙ্গীর, সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল ‎সোনাইমুড়ীতে শিক্ষা ও মানবতার এক উজ্জ্বল বিদায় ‎ ‎ নোয়াখালী পৌরসভায় এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা মোবাইল চার্জ দিতে গিয়ে কিশোরীর মৃত্যু সাগরে ডুবে যাওয়া ট্রলারের জেলে ফিরলেন ৫৪ বছর পর সাংবাদিককে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে সোনাইমুড়িতে মানববন্ধন নোবিপ্রবিতে ব্যাংকের সিল নকল করে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ

নোয়াখালীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে মানবাধিকার ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক সাহায্য সংস্থার উদ্যোগ 

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫

নয়া সকাল প্রতিবেদক:
নোয়াখালী জেলা প্রশাসন  ও সদর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় খালের কচুরিপানাও  আবর্জনা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৬ জুলাই শনিবার সকালে আনসার কোম্পানির বাজার থেকে  এ পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করা হয়।  এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা  ও ইউনিয়ন পরিষদ সচিব শহীদ উল্ল্যাহর উপস্থিতিতে সংগঠনে কমকর্তাগণসহ প্রায় ২০০ স্বেচ্ছাসেবীরা জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজে এগিয়ে আসেন।
 সংগঠনে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিচালক মোঃ সাগর হোসেন রনির  অক্লান্ত পরিশ্রমে জেলার সভাপতি-  মোঃ বেলাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক- মোঃ আক্তার হোসেন খাল পরিষ্কার কার্যক্রমে জোরালো ভুমিকা রাখেন।.
সংগঠন কেন্দ্রীয় সহকারী পরিচালক মোবারক হোসেন রুবেল ও বিবি হালিমা কাঞ্চন, জেলার  জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছেন।
এই সময় নোয়াখালী জেলার উপদেষ্টা আব্দুল মোতালেব, চট্টগ্রাম বিভাগের কো-অডিনেটর মোঃ রাসেল, ও মহিলা সম্পাদিকা: সালমা আক্তারসহ জেলা কমিটির অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
 মানবাধিকার ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক সাহায্য সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিচালক মোঃ সাগর হোসেন রনি বলেন,  বর্তমানে বর্ষাকালীন বৃষ্টিপাতের ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে নিম্নাঞ্চল, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল ও বাজার এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক জনজীবন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।এই জলাবদ্ধতা শুধু জনদুর্ভোগই নয়, স্বাস্থ্যঝুঁকি, যানজট, ও পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরো বলেন, মানবাধিকার সংগঠনের  দাবিগুলো আপনাদের  জন্য  তুলে ধরছি
১/ দ্রুত ও টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ ও সংস্কার।
২/খাল-বিল ও প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ ও দখলমুক্ত করা।
৩/আবর্জনা অপসারণে নিয়মিত কার্যক্রম চালু রাখা।
৪/ নগর পরিকল্পনায় জলাবদ্ধতা প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
৫/ স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে সচেতনতা ও উদ্যোগ গ্রহণ করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ