শিরোনাম:
নোয়াখালী পৌরসভার সড়ক সংস্কারের একদিনেই উঠে গেলো পিচ এমপির জন্য মাঝ নদী থেকে ফিরল ফেরী : যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ একটু বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধ জেলা শহর, অতিবৃষ্টিতে এবার স্থায়ী জলাবদ্ধতার আশঙ্কা নিজ বাড়ির কাছেই জমিতে ভাসছিল যুবকের লাশ বর্তমানে একজন যুবককে ধ্বংস করার জন্য একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনই যথেষ্ট: মুহাম্মদ শাহজাহান সংসদে কথা বলতে না দিলে বাইরে জনগণের সামনে বলব: হাসনাত আবদুল্লাহ বিএনপি মানুষের হাতে মোমবাতি-হারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে’: হাসনাত আবদুল্লাহ জুলাইয়ের আগে ও পরে ভোট চুরি হয়েছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ দক্ষিণ আফ্রিকায় দুই দিনে দুই প্রবাসী খুন,নোয়াখালীর গ্রামের বাড়ীতে শোকের মাতন ফিফা সভাপতি-রেফারির বিরুদ্ধে মামলা চেয়ে থানায় তরুণ, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি

নোয়াখালীতে তীব্র জ্বালানি সংকট, বন্ধ ফিলিং স্টেশন, তেল বিক্রি হচ্ছে কালোবাজারে

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধজনিত পরিস্থিতিতে নোয়াখালীতে জ্বালানি তেলের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফিলিং স্টেশনগুলোর সামনে লম্বা লাইন থাকলেও তেল না পেয়ে ফিরতে হচ্ছে ক্রেতাদের। তবে কালোবাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে তেল।

জেলায় মোট ২৮টি ফিলিং স্টেশন থাকলেও তেলের অভাবে ২১টি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রয়েছে। নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীতে ১টি, বেগমগঞ্জ উপজেলায় ৫টি, সোনাইমুড়িতে ১টি—সহ মোট ৭টি ফিলিং স্টেশন চালু রয়েছে। বাকি সব ফিলিং স্টেশন বন্ধ রয়েছে।

জেলা শহর মাইজদীর ১টি ফিলিং স্টেশনে তেল দেওয়া হলে বাকি ৪টি ফিলিং স্টেশনে তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সোনাপুর ফিলিং স্টেশন আজ সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অকটেন ও পেট্রোল বিক্রি বন্ধ ঘোষণা করেছে। বাকি পায়রা ফিলিং স্টেশন, সাজ্জাত ফিলিং স্টেশন, হক ফিলিং স্টেশন সোনাপুর গত ১ সপ্তাহ ধরে তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

মাহমুদুল হাসান নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী অভিযোগ করেন, বেগমগঞ্জের রাজগঞ্জ বাজারে ২৪০ টাকা করে তেল বিক্রি হচ্ছে, থানার হাট বাজারে ৩০০ টাকা করে তেল বিক্রি করা হচ্ছে, সোনাপুর বাজারে ৩০০ টাকা করে তেল বিক্রি হচ্ছে। ফিলিং স্টেশনে তেল নেই, অথচ খোলা বাজারে কীভাবে তেল বিক্রি হচ্ছে?

রাতুল নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী বলেন, যেসব ফিলিং স্টেশন খোলা আছে, সেখানে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। তেল পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সংকটে মোটরসাইকেলে ২০০ থেকে ৩০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। খোলা বাজারে তেল বিক্রিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

পাম্প মালিকরা জানিয়েছেন, আগে ডিপো থেকে দৈনিক দুই থেকে তিন গাড়ি তেল পাওয়া গেলেও এখন একদিন পর পর রেশনিং পদ্ধতিতে অর্ধেকেরও কম তেল দেওয়া হচ্ছে। এতে জেলার ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে।

চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম তেল সরবরাহ করায় বিপাকে পড়েছেন পাম্প মালিক ও সাধারণ ভোক্তারা। তেলের এই সংকটে সবচেয়ে বেশি ব্যাহত হচ্ছে সেচ কার্যক্রম। ফলে কৃষকসহ সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত মনিটরিং করা হচ্ছে এবং ফিলিং স্টেশনের মালিকদের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে। জনসাধারণ যাতে নির্বিঘ্নে যেত তেল পেতে পারে সে ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ