শিরোনাম:
বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে ওশান গভর্ন্যান্স: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ দারিদ্র্যের কাছে হার নয়, ছাত্রদল নেতা রাশেদুল ইসলামের মানবিক উদ্যোগ বিদায় আপসহীন নেত্রী  নোয়াখালী-৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিএনপি নেতা  নোয়াখালীতে বৈশাখী টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত সততা ও সাফল্যের স্বীকৃতি নোয়াখালীতে তিন সহোদর সিআইপিকে গণসংবর্ধনা চাটখিলে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হামলায় ২ সাংবাদিক আহতঃগ্রেফতার-২ তারেক রহমানের আগমনে নোয়াখালী থেকে ঢাকায়  বিএনপির লক্ষাধিক নেতাকর্মী সুবর্ণচরের অবৈধ ইট ভাটায় অভিযান, জরিমানা ২ লক্ষ টাকা নোয়াখালীতে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক সমন্বয় সভা

ব্যাটারদের ব্যাট আজ হেসেছে আপন মনে

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : শুক্রবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের দেওয়া ১৫৭ রানের টার্গেট যেন আজ খুলনার কাছে মামুলি মনে হয়েছে। ধুকতে থাকা খুলনার ব্যাটারদের ব্যাট আজ হেসেছে আপন মনে। এর আগে চার ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের জয় ছিল মাত্র একটি। শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) তামিম ইকবাল-ইয়াসির রাব্বির দলটি দ্বিতীয় জয়ের দেখা পেল। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে ৭ উইকেটের বড় জয়ে দলটি কোয়ালিফায়ারের লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখলো। তাদেরও এখন রংপুর, চট্টগ্রামের সমান দুটি জয়।

ফিফটি মিস করলেও দারুণ ব্যাটিং করে আন্তর্জাতিক টি-২০ থেকে বিদায় নেওয়া তামিম ইকবাল। তবে জাতীয় দলে নিয়মিত হওয়ার লড়াইয়ে থাকা তরুণ মাহমুদুল হাসান জয় ফিফটি পেয়েছেন। আর অধিনায়ক ইয়াসির রাব্বি ঝড়ো এক ইনিংসে ফিনিশিং টেনেছেন।

টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় খুলনা। ব্যাটে নেমে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ওপেনার ম্যাক্স ওডাউডকে হারালেও উসমান খান এবং আফিফ হোসেন রান পান। ওপেনার উসমান ৩১ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন। তার ব্যাট থেকে সাতটি চার ও একটি ছক্কার শট আসে।

তিনে নামা আফিফ ৩১ বলে ৩৫ রান করেন। একটি চার ও একটি ছক্কা মারেন বাঁ-হাতি এই ব্যাটার। এছাড়া ডারউইস রসুলি ২৫ রান করেন। ৯ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলেন পেস অলরাউন্ডার ফরহাদ রেজা। তাদের ছোট ছোট ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ১৫৭ রান তোলে চট্টগ্রাম।

জবাব দিতে নেমে শূন্য করে ফিরে যান খুলনার মুনিম শাহরিয়ার। এরপর ১০৪ রানের জুটি গড়েন তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল জয়। তামিম ৩৭ বলে ৪৪ রান করেন। চারটি চার ও একটি ছক্কা তোলেন। তরুণ জয় ৪৪ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন। তার ব্যাট থেকে পাঁচটি চার ও একটি ছক্কা আসে। ওই জুটিতেই জয়ের পথে এগিয়ে যায় খুলনা।

পরে আজম খান ১৬ বলে ১৫ এবং ইয়াসির রাব্বি চারটি ছক্কা ও দুটি চারে ১৭ বলে ৩৬ রান করে চার বল থাকতে জয় তুলে নেন। খুলনার হয়ে বুড়ো পাকিস্তানী পেসার ওয়াহাব রিয়াজ ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। বাংলাদেশি পেস অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন ৪ ওভারে ৪০ রান দিয়ে নেন দুই উইকেট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ