শিরোনাম:
সমাজসেবার আড়ালে অনিয়মের অভিযোগ: সুবর্ণচরের এনজিও ‘সাগরিকা’কে ঘিরে নানা প্রশ্ন শেখ হাসিনার পতন হয়েছে, আওয়ামী সাংবাদিক-বুদ্ধিজীবীদের জন্য -বরকত উল্লাহ বুলু  জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ২য় বর্ষপূর্তিতে সুবর্ণচরে জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ সুবর্ণচরে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ থানায় সালিশী বৈঠকের নামে রফাদফার চেষ্টা“ নোয়াখালীতে লক্ষাধিক মানুষের মহাসমাবেশ হেজবুত তওহীদ নিষিদ্ধের দাবি নোয়াখালীতে ইসলামী মহাসমাবেশের প্রস্তুতি সম্পন্ন, অংশ নেবেন লক্ষাধিক মানুষ নোয়াখালীতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ‘অদম্য জুলাই’ মিছিল সুবর্ণচরে মায়ের অভিযোগে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার গাউসিয়া কমিটির সম্পাদক কামাল হোসাইনের স্মরণ সভায় মিলাদ ও দোয়া কামরুল কাননের ছবি বিকৃত করে অপপ্রচারের প্রতিবাদে চাটখিলে মানববন্ধন

ঝুলছে ১০৭ পুলিশ কর্মকর্তার পদক! মাঠ পর্যায়ে বাড়ছে ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬



‎​এ আর আজাদ সোহেল,
‎​পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ শেষ হওয়ার এক মাসেরও বেশি সময় পার হলেও এখনো আলোর মুখ দেখেনি ১০৭ জন পুলিশ কর্মকর্তার বহুল প্রতীক্ষিত বিপিএম ও পিপিএম পদক। গত ৯ মে মধ্যরাতে শেষ মুহূর্তে স্থগিত হওয়া এই পদক প্রদান নিয়ে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা ও হতাশা।

‎​পদক ঝুলে থাকার নেপথ্যেঃ
‎ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ঘোষিত এই পদক বছরের পর বছর নয়, বরং দীর্ঘ সময় ধরে আটকে রাখায় ক্ষুব্ধ বাহিনীর সদস্যরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২ লাখ ২০ হাজার সদস্যের বিশাল বাহিনীর মধ্যে হাজার হাজার আবেদনের প্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞ টিম দীর্ঘ যাচাই-বাছাই শেষে এই ১০৭ জনের নাম চূড়ান্ত করেছিল। এরপরেও পদক প্রদান স্থগিত হওয়ায় বাহিনীর সদস্যদের মনোবলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

‎​স্বচ্ছতা ও যৌক্তিকতার প্রশ্নঃ
‎স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বারবার ‘রিওয়ার্ড অ্যান্ড পানিশমেন্ট’ বা পুরস্কার ও তিরস্কার নীতির কথা বললেও, এই পদক আটকে থাকা সেই স্বচ্ছতার পরিপন্থী বলে মনে করছেন অনেকে। বিশ্লেষকদের মতে, তালিকায় কোনো বিতর্কিত ব্যক্তি থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের নাম বাদ দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু যোগ্যদের প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত করা যৌক্তিক নয়। বিশেষ করে যখন অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সফলভাবে তাদের পদক প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছে, সেখানে পুলিশ বাহিনীর এমন দীর্ঘসূত্রতা প্রশ্নবিদ্ধ।

‎​কর্মস্পৃহায় প্রভাবঃ
‎একজন কনস্টেবল থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার জন্য এই পদক কেবল সম্মাননা নয়, বরং বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি। এই দীর্ঘ বিলম্ব পেশাদারিত্ব ও কাজের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা। সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা ধরে রাখতে এবং বাহিনীর সদস্যদের মনোবল চাঙ্গা করতে অনতিবিলম্বে এই অচলবস্থা নিরসনের দাবি উঠেছে।
‎​
‎প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে দ্রুত যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করার মাধ্যমে প্রাপ্যদের সম্মান বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত সাহসী কর্মকর্তাদের যথাযথ মূল্যায়নই এখন বাহিনীর সকল স্তরের সদস্যদের প্রাণের দাবি।



আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ