শিরোনাম:
সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন জমিতে আগামীকাল উদ্বোধন হতে যাচ্ছে নোবিপ্রবি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, প্রতিবাদে মানববন্ধন সংস্কার হচ্ছে রেলপথ, নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন নোয়াখালীতে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ জেলা দক্ষিণ শাখার যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত প্রধান তথ্য কমিশনারের সাথে বাপাজস নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ সোনাইমুড়ীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত প্রবাসীদের আত্মমর্যাদাসম্পন্ন হিসেবে গড়ার গুরুত্বারোপ, নোয়াখালী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের মঞ্জুরী কমিশনের কার্যক্রমকে জনপ্রিয় করতে জনসংযোগ কর্মকর্তাদের সহযোগিতা প্রয়োজন নোবিপ্রবির ৩য় সমাবর্তন উপলক্ষে ‘রিলস ও লোগো ডিজাইন কনটেস্ট’-এর আয়োজন নোয়াখালীতে হামলার শিকার হলেন সাংবাদিক সেলিম মিয়া, আটক ১ নোবিপ্রবির তৃতীয় সমার্বতনের নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর দাবি শিক্ষার্থীদের

সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন জমিতে আগামীকাল উদ্বোধন হতে যাচ্ছে নোবিপ্রবি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন জমিতে আগামীকাল উদ্বোধন হতে যাচ্ছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

আগামীকাল সোমবার সকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে।

এদিকে আজ রবিবার দুপুরে নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নের ৯৩ নম্বর চর সল্লা এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগী জিয়াউর রহমান শিমুল, আনোয়ারুল হক সেলিম, নুরুল আলম, ফাতেমা বেগম ও বিবি হাজেরাসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, তাঁদের পৈতৃক ও খতিয়ানভুক্ত মালিকানাধীন ভোগদখলীয় জমি অধিগ্রহণের পর জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টা করছে নোবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ। এ জমি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় দখলের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জমির বর্তমান অবস্থা বজায় রাখার দাবি জানান তাঁরা।

বক্তারা আরও জানান, জমি নিয়ে তাঁরা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করলে জেলা প্রশাসন উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়ে শুনানি করে। শুনানি শেষে জেলা প্রশাসক সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে যে যার অবস্থানে থাকার নির্দেশনা দেন বলে দাবি তাঁদের।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাঁদের কোনো ধরনের নোটিশ না দিয়ে কিংবা যোগাযোগ না করেই গত শনিবার থেকে জমি থেকে উচ্ছেদের জন্য মাইকিং করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন তাঁরা। উচ্ছেদ করা হলে তাঁদের আশ্রয় নেওয়ার মতো বিকল্প কোনো জায়গা নেই বলেও জানান তাঁরা।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি অধিগ্রহণে তাঁদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানান ভুক্তভোগীরা। তাঁদের দাবি, বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী জমির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করতে হবে এবং পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় সময় দিতে হবে, যাতে তাঁরা পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে অন্যত্র বসবাসের ব্যবস্থা করতে পারেন।

এ বিষয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ একর জমির মধ্যে ১ একর ৩৩ শতাংশ জমির দখল নিয়ে জটিলতা রয়েছে। সর্বশেষ ২০১৭ সালে গেজেট প্রকাশ এবং ২০২১ সালে রিট পিটিশন খারিজ হওয়ার পর জমিটি নিয়ে আইনগত কোনো বাধা নেই।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ওই জমিতে একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটি নির্মাণে সবার সহযোগিতা কামনা করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই জমিতে বর্তমানে যাঁরা বসবাস করছেন, তাঁদের জন্য সরকারি কোষাগারে ক্ষতিপূরণের টাকা জমা রয়েছে। তাঁরা যেকোনো সময় সেই ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করতে পারবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ